
দক্ষিণ দিনাজপুর: বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে দিনভর ঝোড়ো প্রচার সুকান্ত-র। বিজেপি প্রার্থী বিদ্যুৎ কুমার রায়-এর সমর্থনে বড় বাজারের দোকানে দোকানে গিয়ে সমর্থন চাইলেন সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত মজুমদার প্রচারে নামতেই বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থীর পালে দমকা হাওয়া! বুধবার সকালে দলীয় কর্মী - সমর্থকদের সাথে নিয়ে সুকান্ত মজুমদার ভোট প্রচারে যান বালুরঘাট বড় বাজারে। সঙ্গে ছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী বিদ্যুৎ কুমার রায়। সেখানে তিনি দোকানে দোকানে গিয়ে ভোট প্রচার করেন। কথা বলেন সাধারণ মানুষদের সাথে। এরপরে তিনি হিলি ব্লকের পাঞ্জুল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার করেন দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে। ত্রিমোহিনীতে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেন। ত্রিমোহিনী বাজার এলাকাতেও প্রচার করেন। পাশাপাশি হিলি বাজার এলাকাতেও নির্বাচনী প্রচার সারেন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে সুকান্ত মজুমদার-এর প্রতি আস্থা রেখে বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচকরা পরপর দুই বার বিজেপিকে জয়ী করেছে। তাদের মতে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পরবর্তী ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ৬টি আসনের মধ্যে প্রথমবার ৩টি আসনে বিজেপির জয়লাভ করার পিছনে বড় ফ্যাক্টর ছিল সুকান্ত মজুমদার। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিকে চোখ রাখলে দেখা যায় বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে থাকা বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্র এলাকা থেকে বিজেপির ভোটের লিড ছিল ৪০ হাজারেও বেশী। যদিও ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্রে সদ্য বিজেপিতে যোগদানকারী বিদ্যুৎ কুমার রায়-কে বিজেপি প্রার্থী ঘোষনা পরে বিজেপি কর্মীদের একাংশের অসন্তোষ বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির ভোট ব্যাঙ্কে প্রভাব ফেলবে কিনা তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল বালুরঘাটের রাজনৈতিক মহলে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে বালুরঘাটে বিজেপির প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত মজুমদার-এর জোরালো প্রচার সেই আশঙ্কার মেঘ অনেকটাই কাটিয়ে দেবে। এদিন বালুরঘাটের বড় বাজারে প্রচার চলাকালীন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার জনগণের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে বলেন আপনারা বালুরঘাট থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিনিধি পাঠান, এবার ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরী হবে, সরকার তৈরী হলে সরকারে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিনিধিত্ব থাকা দরকার। পাশাপাশি বিজেপির সরকার এলে মাছ মাংস খাওয়া বন্ধ করার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সুকান্ত মজুমদার পাল্টা যুক্তি পেশ করে বলেন ভারতীয় জনতা পার্টি ত্রিপুরাতে আছে। ত্রিপুরার বাঙালিরা মাছ খাওয়ার দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিকে গোল দিয়ে দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর তোলা অভিযোগকে তিনি মিথ্যা বলেও দাবী করেন।
Total Post View : 48573